Top banner
Language : Bengali | English
Quick Links
 




Venue: বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র
Date: 17-05-2011


বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম



মাননীয় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী জনাব রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু,
H.E Mr. Nandalal Rai, Hon'ble Minister,
Ministry of Information & Communication, Royal Government of Bhutan,
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় সমঙর্কিত স্ট্যান্ডিং কমিটির মাননীয় সভাপতি জনাব হাসানুল হক ইনু, এমপি
ম-ল প্রবন্ধকার বিটিআরসি’র সম্মানিত চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব) জিয়া আহমেদ,
আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ
এবং
উপসি'ত ভদ্রমহিলা ও মহোদয়গণ,
আস্‌সালামু আলাইকুম।
বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস ২০১১ উপলক্ষে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় আয়োজিত 'Better life in rural communities with ICT' শীর্ষক অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আপনাদের মাঝে উপসি'ত হতে পেরে আমি অত্যন@ আনন্দ অনুভব করছি। ২০২১ সালের মধ্যে বর্তমান সরকার ঘোষিত ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গঠনের প্রেক্ষাপটে আজকের অনুষ্ঠান অত্যন@ গল্লুুত্বপ-র্ণ বলে আমি মনে করি। আমি আশা করি বিশ্ব টেলিযোগাযোগ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়ে তাদের দৈনন্দিন জীবনযাপন সহজতর করতে উলে-খযোগ্য ভূমিকা রাখবে। এ অনুষ্ঠান আয়োজনের সাথে সংশি-ষ্টদের আমি আন@রিক ধন্যবাদ জানাই এবং অনুষ্ঠানের সফলতা কামনা করি।


সম্মানিত সুধী,
    আপনারা দেখছেন একবিংশ শতাব্দিতে তথ্য-প্রযুক্তির ব্যাপক অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষ মুহ-র্তের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য পৃথিবীর একপ্রান@ থেকে অন্যপ্রানে@ আদান-প্রদান করতে পারছে। বলা চলে এ এক বিস্ময়! তথ্য-প্রযুক্তির বদৌলতে পৃথিবীর সব মানুষ আজ ভৌগোলিক সীমারেখা ভেঙ্গে কাছাকাছি চলে এসেছে। এখানে জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোষ্ঠীর ভেদাভেদ নেই। তথ্য প্রযুক্তি সবাইকে বিনি সুতার মালায় পরসঙরকে বেঁধে নিয়েছে। বলতে গেলে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বিশ্ববাসীর সামনে এক বিশাল সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে পৃথিবীর সকল অঞ্চলের মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটাতে হবে। পৃথিবীর উন্নতদেশগুলো তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প, বিনিয়োগ, যোগাযোগ, গবেষণা ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নতি করতে সক্ষম হলেও উন্নয়নশীল দেশগুলো এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে। এ অবস'া থেকে উত্তরণের জন্য এসব দেশে তথ্য-প্রযুক্তি জ্ঞান বিস@ারের পাশাপাশি তথ্য-প্রযুক্তি উপকরণ ও সেবা সহজলভ্য করা প্রয়োজন।

প্রিয় সুধী,

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আধুনিক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তির গল্লুুত্ব অনুধাবন করে ২০২১ সালের মধ্যে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ কর্মস-চির রূপরেখা ঘোষণা করেছেন। আমরা লক্ষ্য করছি ইতোমধ্যে দেশব্যাপী তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে ব্যাপক সাড়া পড়ে গেছে। সরকারের সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তথ্যসমৃদ্ধ ওয়েবসাইট তৈরি করেছে। গড়ে তোলা হয়েছে জেলা ই-সেবা কেন্দ্রসহ ইউনিয়ন তথ্য বাতায়ন। শিক্ষার্থীরা আজ ঘরে বসেই পরীক্ষার ফলাফল জানাসহ ভর্তি ফরম প-রণ এবং শিক্ষার যাবতীয় তথ্যাদি পাচ্ছে। অনল্লুূপভাবে কৃষি, চিকিৎসা সেবাসহ যাবতীয় নাগরিক সুবিধা তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে পলি-র প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিতে হবে, যাতে গ্রামে বসেই সাধারণ জনগণ তাদের প্রয়োজনীয় সেবা পেতে পারেন। সাধারণ জনগণ তথ্যপ্রযুক্তির নিরেট কারিগরি দিক বোঝে না। তারা চায় দ্রুত সেবা, রোগে চিকিৎসকের পরামর্শ, ফসল উৎপাদনে কৃষি বিজ্ঞানীর মতামত, আইনী সহায়তাসহ শিক্ষা ও কর্মের সুবিধা। তাই কিভাবে সহজে ও সুলভে তাদের নিকট ই-সেবা পৌঁছে দেয়া যায় তার উপায় বের করতে হবে। আর তা করতে পারলেই এ বছরের বিশ্ব টেলিযোগাযোগ দিবসের ম-ল প্রতিপাদ্য সত্যিকারার্থে প্রতিফলিত হবে।

সম্মানিত সুধী,
আমি জেনে অত্যন@ খুশি হয়েছি যে, তথ্য প্রযুক্তির বিকাশে গাজীপল্লু 'Hi-Tech Park' এর জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি করা হচ্ছে। সমগ্র দেশকে 'E-Governance'-এর আওতায় আনার লক্ষ্যে 'Digital Divide' দ-রীকরণে দেশজুড়ে টেলিযোগাযোগ ব্যবস'াকে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। ইন্টারনেট ও ব্রডব্যান্ড সেবা জেলা ও উপজেলায় বিস@ৃত করা হচ্ছে। তিন পার্বত্য জেলা তথা বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়িকে ইতোমধ্যে টেলিযোগাযোগ সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে। দেশের সর্বপ্রথম 'Satellite' স'াপনের জন্য সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে এবং অচিরেই তা স'াপন করা হবে। আমি মনে করি এর মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস'া আরও সমৃদ্ধ হবে।

সুধীমণ্ডলী,
    জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবল্লু রহমানের আহ্বানে ও নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে আমরা এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ পাই। আমাদের মহান স্বাধীনতার লক্ষ্য ছিল একটি সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার। জাতির জনকও সেই স্বপ্ন দেখতেন। কিন' স্বাধীনতার চলি-শ বছর পার হলেও আমরা সেই লক্ষ্য আজও অর্জন করতে সক্ষম হই নি। আজ আমাদের সামনে তথ্যপ্রযুক্তির অপার সম্ভাবনা হাতছানি দিচ্ছে। এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে আমাদের মহান স্বাধীনতার সেই লক্ষ্য প-রণে তৎপর হতে হবে। ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন@ী উদ্‌যাপিত হবে। সেই সময়ের মধ্যে একটি ক্ষুধা দারিদ্র্যমুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে আমাদের সকলকে নিজ নিজ অবস'ান থেকে প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। মহান দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা বাংলাদেশকে একটি সুখী সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করি, এই হোক আমাদের অঙ্গীকার।

    পরিশেষে সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে ‘বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস ২০১১'-এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করছি। মহান আল-াহ আমাদের সহায় হোন।

খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

Home | Contact us | Sitemap
© Copyright 2009, Bangabhaban - Bangladesh, all rights reserved.
Financed by Support to ICT Task Force (SICT) , Planing Division. Developed by : Ethics Advanced Technology Ltd. (EATL)