Top banner
Language : Bengali | English
Quick Links
 




Venue: নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
Date: 15-11-2011


বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম মান্যবর জাতিসংঘ সেক্রেটারী জেনারেল মি. বান কি-মুন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত উপাচার্য প্রফেসর ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, সিনেট ও সিন্ডিকেটের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও শিক্ষকমণ্ডলী, আমার প্রিয় ছাত্রছাত্রীবৃন্দ, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ, ভদ্র মহিলা ও মহোদয়গণ, আসসালামু আলাইকুম। প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক জাতিসংঘের মান্যবর সেক্রেটারী জেনারেল মি. বান কি-মুন কে সম্মানসূচক ডক্টর অব লজ ডিগ্রি প্রদান উপলক্ষে বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দ অনুভব করছি। আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি সম্মানসূচক ডক্টর অব লজ ডিগ্রি গ্রহণকারী জাতিসংঘের সেক্রেটারী জেনারেল মি. বান কি-মুনকে যিনি বিশ্বসংঘের প্রধান নির্বাহী হিসেবে মানবসভ্যতা ও বিশ্বশান্তি রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে যাঁরা এই গুণী ও প্রাজ্ঞ ব্যক্তিকে সম্মানসূচক ডক্টর অব লজ ডিগ্রি প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে আজকের দিনটি স্মৃতিময় হয়ে থাকবে। সম্মানিত সুধী, মানবসভ্যতার আদি পীঠস্থান আমাদের এই ভূ-ভাগ। পৃথিবীর অনেক দেশ, মহাদেশ আবি®কৃত হওয়ার বহু আগেই এ অঞ্চলে সভ্যতার সূচনা হয়েছে। আগমণ ঘটেছে শক, হুণ, দ্রাবিড়, বৌদ্ধ, হিন্দু, মোগল, পাঠান, পর্তুগীজ, ইংরেজ নানা জাতির। এসব জাতি-গোষ্ঠীর আগমণ ও তাদের পদচারণায় এ অঞ্চলের সভ্যতা ও সংস্কৃতি যেমন বর্ণাঢ্য রূপ পেয়েছে তেমনি তা হয়েছে বিশ্বসভ্যতার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। তাই প্রাচীনকাল থেকেই জাতিতে জাতিতে নিবিড় যোগাযোগের পাশাপাশি পূর্ব-পশ্চিমের সাথে আমাদের রয়েছে ব্যবসা বাণিজ্য, শিক্ষা-দীক্ষা, ধর্ম-কৃষ্টি ইত্যাদির মেলবন্ধন। মানুষে মানুষে এই যে মহামিলন তা আমাদেরকে বিশ্ব দরবারে বিশেষভাবে গৌরবাম্বিত করেছে। প্রিয় সুধী, আপনারা জানেন ১৯৭১ সালে এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আমরা স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ পেয়েছি। পেয়েছি নিজস্ব পতাকা, নিজস্ব মানচিত্র। জাতি হিসেবে এটি আমাদের শ্রেষ্ঠ অর্জন। তবে এ অর্জন এক দিনে অর্জিত হয় নি। এজন্য আমাদের সংগ্রাম করতে হয়েছে। অপেক্ষা করতে হয়েছে সোনালী সূর্যের। আমি আজ পরম শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, যিনি দু’দশক ধরে বাঙালি জাতিকে জাতীয়তাবোধে উদ্বুদ্ধ করে ১৯৭১ সালে বাঙালি মুক্তির সনদ মহান স্বাধীনতার ঐতিহাসিক ঘোষণা দেন। বাংলা, বাঙালি এবং বাংলাদেশের প্রতি এই প্রবাদতুল্য মহান জননেতার যে অবদান তা আমরা কখনো ভুলবো না। ১৯৭৪ সালে এই মহান নেতা জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দিয়ে কেবল বাঙালি জাতিকে সম্মানিত করেনি, বাংলাকে বিশ্ব সভায় তুলে ধরতে বিপুল অবদান রেখেছেন। আমরা তাঁর অবদানকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি। সম্মানিত সুধীমন্ডলী, আপনারা জানেন, বাংলা নামক এই ভূখন্ডে জন্মেছেন অনেক জ্ঞানী, গুণী, জ্ঞানতাপস, ধর্মপ্রচারক, কবি, সাহিত্যিক, বিজ্ঞানী যাঁরা কেবল নিজেরাই যশস্বী হননি, বাংলা ও বাঙালিকে করেছেন সম্মানিত। এ প্রসঙ্গে আমি বৌদ্ধ ধর্মের প্রচারক শ্রীজ্ঞান অতীশ দীপঙ্কর, নোবেল বিজয়ী কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম, পল্লী কবি জসিমউদ্দীন, বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু, প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, জ্ঞান তাপস ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ, রাজনীতিক হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, মওলানা ভাসানী, প্রকৌশলী এফ আর খান প্রমূখের নাম উল্লেখ করতে চাই। তাঁরা সকলেই এই মাটির কৃতি সন্তান। প্রায় এক শতাব্দী আগে ১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যে নোবেল পুরষ্কার বাংলা ও বাঙালীর ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবে। তাঁর কালজয়ী সৃষ্টিশীল সাহিত্যকর্ম বিশ্ব সাহিত্যকে বিপুলভাবে সমৃদ্ধ করেছে। সম্মানিত সুধী, আয়তনে বাংলাদেশ ছোট হলেও এ দেশের মেধাবী জনগোষ্ঠী জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অব্যাহত অবদান রেখে যাচ্ছে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পরিচিতি হলো বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম শান্তিকামী অসাম্প্রদায়িক দেশ। আমি আজ আনন্দের সাথে বলতে চাই বিশ্বশান্তি রক্ষায় বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সর্বোচ্চ সংখ্যক শান্তিরক্ষী ও অবজারভার প্রেরণ করে বিশ্বশান্তির ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। নারীর ক্ষমতায়ন, দারিদ্র্য দূরীকরণ, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, জলবায়ুর নেতিবাচক প্রভাব মোকাবেলায় বিশ্ব জনমত সৃষ্টি, খাদ্য নিরাপত্তা অর্জন, নারী ও শিশু স্বাস্থ্যের উন্নয়ন, নারী শিক্ষার বিকাশ, সামাজিক সমতা রক্ষা, অসাম্প্রদায়িক চেতনার লালনসহ বিশ্বমানবতার কল্যাণ ও মুক্তির জন্য বাংলাদেশ কাজ করে যাচ্ছে। আপনারা জানেন, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবেলায় বিশ্বজনমত সৃষ্টিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছেন। নারী ও শিশু স্বাস্থ্যের উন্নয়নে অবদান রাখায় তিনি ইতোমধ্যে ‘জাতিসংঘ এমডিজি পুরস্কার এবং ‘সাউথ সাউথ পুরস্কার’ পেয়েছেন। সম্প্রতি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে তাঁর পিতার মতো তিনিও বাংলায় ভাষণ প্রদান করেছেন। এবং একইসাথে বাংলাকে জাতিসংঘের অফিসিয়াল ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্তির দাবি করে আমাদেরকে পুনরায় গৌরবাম্বিত করেছেন। আমরা আশা করি বিশ্বের ৩০ কোটি বাংলা ভাষাভাষি মানুষের প্রতি সম্মান জানিয়ে জাতিসংঘ বাংলাকে অফিসিয়াল ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে বিবেচনা করবে। সম্মানিত সুধী, আপনারা জানেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেবল উচ্চ শিক্ষার সূতিকাগার নয়, বরং তা জাতির আশা আকাক্সক্ষার কেন্দ্রস্থল। নিরন্তর জ্ঞান চর্চার পাশাপাশি এ বিদ্যাপীঠটি আমাদের সকল আন্দোলন-সংগ্রামে অবদান রেখে আসছে। মাতৃভাষার অধিকার আদায়ে ১৯৫২ সালে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাজপথে জীবন দিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় জাতিসংঘের উদ্যোগে দিবসটি আজ সারা বিশ্বে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে উদযাপিত হচ্ছে। আমাদের স্বাধিকার, স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান বাঙালির ইতিহাসে চিরস্মরনীয় হয়ে থাকবে। জ্ঞান অন্বেষণ ও চর্চার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান এবং জাতির মননের প্রতীক হিসেবে এই ঐতিহ্যবাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জাতিসংঘের মহাসচিবকে ডক্টর অব লজ ডিগ্রি প্রদান করতে পেরে বিশ্ববিদ্যালয় গর্ববোধ করছে। ঐরং ঊীপবষষবহপু গৎ. ইধহ কর-সড়ড়হ, ও বিষপড়সব ণড়ঁৎ ঊীপবষষবহপু ঃড় ইধহমষধফবংয ধহফ পড়হমৎধঃঁষধঃব ুড়ঁ ড়হ ুড়ঁৎ ধংংঁসঢ়ঃরড়হ ড়ভ ঃযব ড়ভভরপব ড়ভ ঃযব ঝবপৎবঃধৎু-এবহবৎধষ ড়ভ ঃযব টঘ ভড়ৎ ঃযব ংবপড়হফ পড়হংবপঁঃরাব ঃরসব. ওঃ নবধৎং ঃযব ঃবংঃরসড়হু ঃড় ুড়ঁৎ বভভরপরবহপু, ঢ়বৎংবাবৎধহপব, ফবফরপধঃরড়হ ধহফ ফুহধসরপ ষবধফবৎংযরঢ়. ঞযব সবসনবৎ ংঃধঃবং ড়ভ ঃযব টঘ ধৎব ড়নংবৎারহম ঃযধঃ ুড়ঁ ধৎব ৎবষবহঃষবংংষু ড়িৎশরহম রিঃয ধ ারবি ঃড় বংঃধনষরংযরহম ড়িৎষফ ঢ়বধপব ধহফ যধৎসড়হু ধহফ রসঢ়ষবসবহঃরহম ঃযব টঘ পযধৎঃবৎ ভড়ৎ ঃযব রহঃবৎবংঃ ড়ভ বহঃরৎব সধহশরহফ. অং ধহ অংরধহ, ও ধস ংরসঁষঃধহবড়ঁংষু ফবষরমযঃবফ ধহফ রহংঢ়রৎবফ রিঃয ুড়ঁৎ ঢ়ৎরফব ধহফ ংঁপপবংং. উঁৎরহম ঃযব ঝবপড়হফ ডড়ৎষফ ডধৎ ুড়ঁ বিৎব নড়ৎহ রহ জবঢ়ঁনষরপ ড়ভ কড়ৎবধ. ও যধাব ংববহ ুড়ঁৎ নরড়মৎধঢ়যু, যিবৎব ুড়ঁ যধাব ৎিরঃঃবহ দও মৎবি ঁঢ় রহ ধিৎ’, ‘ধহফ ংধি ঃযব টহরঃবফ ঘধঃরড়হং যবষঢ় সু পড়ঁহঃৎু ঃড় ৎবপড়াবৎ ধহফ ৎবনঁরষফ’. ঞযবৎবভড়ৎব, ুড়ঁ যধাব ঢ়ৎধপঃরপধষ বীঢ়বৎরবহপব ঃড় ংবব ঃযব ফবাধংঃধঃরড়হ ড়ভ ধিৎ ধহফ রঃং পড়হংবয়ঁবহপবং. ও ধস পড়হভরফবহঃ ঃযধঃ ঁহফবৎ ুড়ঁৎ ধনষব ধহফ ফুহধসরপ ষবধফবৎংযরঢ়, ঃযব ড়িৎষফ ড়িঁষফ নব ভৎবব ভৎড়স ধিৎ ধহফ পড়হভষরপঃ. ও রিংয ণড়ঁৎ ঊীপবষষবহপু ধ ারনৎধহঃ ধহফ ংঁপপবংংভঁষ লড়ঁৎহবু রহ ঃযব ফধুং ঃড় পড়সব. ণড়ঁৎ ঊীপবষষবহপু, আপনি প্রথমবার মহাসচিব নির্বাচিত হওয়ার পর ‘দ্য ইকোনোমিস্ট’ পত্রিকা জাতিসংঘের অসমাপ্ত কার্যাবলির একটি তালিকা প্রকাশ করে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো দারফুরের রক্তশ্রাবী ক্ষতের নিরাময় সাধন, মধ্যপ্রাচ্যের সমাপ্তিহীন সহিংসতা রোধ, আন্তর্জাতিক পরিসরে ব্যাপ্ত সন্ত্রাসবাদের অবসান, ক্রমবর্ধমান পরিবেশ বিপর্যয় থেকে ধরিত্রীকে রক্ষা, ব্যাপক গণবিধ্বংসী অস্ত্র ধ্বংস এবং এইচ আইভি ও এইড্স এর বিস্তার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা। আপনি এসব সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ গ্রহণ করায় আমি আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আপনি গ্রিনহাউজ গ্যাস নি:সরণ ও বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনকে আমাদের অস্তিত্বের জন্য হুমকি বলে অভিহিত করেছেন। এসব সংকট নিরসন সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি আপনার উদাত্ত আহ্বান বিশ্ববাসীকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর আপনি মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রতিষ্ঠায় মিশর, ফিলিস্তিন, ইসরাইল, জর্ডান, লেবানন ও সৌদি আরব সফর করেছেন এবং শীর্ষস্থানীয় আরব লীগের নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনা করেছেন। আমি আশা করি আপনার গতিশীল ও প্রাজ্ঞ নেতৃত্বে বিদ্যমান সংকটের সমাধানের পথ উন্মোচিত হবে। এবং এ প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা এবং জাতিসমূহের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে সক্ষম হবে। ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম সম্মেলনে যোগদান, নারী ও শিশু ব্যবস্থার অগ্রগতি নিজ চোখে দেখাসহ জনকল্যাণমূলক কর্মসূচিতে সক্রিয় অবদান রাখার জন্য আপনার বাংলাদেশ সফর স্মরণীয় হয়ে থাকবে। আমি আপনার মানবহিতৈষী সকল কর্মসূচির সফল বাস্তবায়ন এবং সুস্বাস্থ্য ও উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করি। পরিশেষে আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে আমার বক্তব্য শেষ করছি। খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক জাতিসংঘের মহাসচিব মি. বান কি-মুন (গৎ. ইধহ কর-গড়ড়হ)-কে ডক্টর অব লজ (উড়পঃড়ৎ ড়ভ খধংি-ঐড়হড়ৎরং ঈধঁংধ) প্রদান উপলক্ষে বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর জনাব মোঃ জিল্লুর রহমানের ভাষণ স্থান: নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তারিখ ঃ মঙ্গলবার ০১ অগ্রহায়ণ ১৪১৮ ১৫ নভেম্বর ২০১১
Home | Contact us | Sitemap
© Copyright 2009, Bangabhaban - Bangladesh, all rights reserved.
Financed by Support to ICT Task Force (SICT) , Planing Division. Developed by : Ethics Advanced Technology Ltd. (EATL)